• ই-পেপার

জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি করলেন আবদুল আউয়াল মিন্টু

রংপুর-৪

জাতীয় পার্টির প্রার্থীর গাড়ি আটকে হেনস্তা

পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি
জাতীয় পার্টির প্রার্থীর গাড়ি আটকে হেনস্তা

রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য প্রার্থী আবু নাসের শাহ মাহবুবার রহমানের গাড়ি আটকে হামলা ও মব সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন দুজনকে আটক করলেও পরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী এসে তাদের একজনকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টায় রংপুর-পীরগাছা আঞ্চলিক সড়কের সরেয়ার তল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আবু নাসের শাহ মাহবুবার রহমান জানান, তিনি জানাজায় যাওয়ার পথে সরেয়ার তল এলাকায় পৌঁছলে এনসিপির কয়েকজন কর্মী তাঁর গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে পথরোধ করেন। এক পর্যায়ে তাঁরা চালকের কাছ থেকে গাড়ির চাবি নিয়ে নেন এবং তাঁকে উদ্দেশ করে বিভিন্ন ট্যাগ দিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তাঁরা হামলা করেন এবং মব সৃষ্টির চেষ্টা করেন।

তিনি বলেন, ‘গাড়িটি আমার নিজস্ব এবং নির্বাচন কমিশনের অনুমোদনপ্রাপ্ত। এর পরও আমি কেন বাইরে বের হয়েছি, তা নিয়ে তারা উত্তেজনা সৃষ্টি করে। স্থানীয় লোকজন আমাকে চিনতে পেরে এগিয়ে না এলে বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারত।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঘটনার সময় সড়কের আশপাশে লোকজন জড়ো হতে থাকলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ রূপ নেয়। এক পর্যায়ে স্থানীয়রা দুজন মব সৃষ্টিকারীকে আটক করে রাখে। পরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং আটক একজনকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। অন্যজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার পর থেকে সরেয়ার তল ও আশপাশের এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মাহিগঞ্জ থানার ওসি মাইদুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে জনতার কাছ থেকে একজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

মাঝে মাঝে এমন নির্বাচন হওন দরকার বেশ ঈদ ঈদ লাগতাছে!

মাঝে মাঝে এমন নির্বাচন হওন দরকার বেশ ঈদ ঈদ লাগতাছে!

খাগড়াছড়ির তিন কেন্দ্রে পৌঁছেছে নির্বাচনী সরঞ্জাম

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
খাগড়াছড়ির তিন কেন্দ্রে পৌঁছেছে নির্বাচনী সরঞ্জাম

খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনের অতি দুর্গম তিনটি ভোটকেন্দ্রে হেলিকপ্টারযোগে নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রগুলো হলো দীঘিনালা উপজেলার নাড়াইছড়ি এবং লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার শুকনাছড়ি ও ফুত্যাছড়ি ভোটকেন্দ্র। ভৌগোলিক অবস্থান ও যোগাযোগ ব্যবস্থার জটিলতার কারণে এসব কেন্দ্রকে সবচেয়ে দুর্গম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গত সোমবার দুপুরে প্রথমে সেনাবাহিনীর লক্ষ্মীছড়ি জোনের হেলিপ্যাড থেকে হেলিকপ্টার উড়ে যায় দুর্গম শুকনাছড়ি কেন্দ্রে। পরে পর্যায়ক্রমে লক্ষ্মীছড়ির ফুত্যাছড়ি এবং দীঘিনালার নাড়াইছড়ি কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়া হয়। এদিকে নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে এরই মধ্যে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশসহ বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। বিশেষ করে দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সেনাবাহিনী, র‌্যাব ও বিজিবির যৌথ টহল জোরদার করা হয়েছে। খাগড়াছড়িতে মোট ২০৩টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১২১টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৬৮টি কেন্দ্র অতি ঝুঁকিপূর্ণ।

 

রাজারহাটে ভোটকেন্দ্রে ৩৭৮ সিসি ক্যামেরা

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
রাজারহাটে ভোটকেন্দ্রে ৩৭৮ সিসি ক্যামেরা

সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের জন্য কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ৬৩টি ভোটকেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় নেওয়া হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তায় প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের ভেতরে এবং বাহিরে ছয়টি করে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আল ইমরান বলেন, রাজারহাট উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্র ৬৩টি, ভোটকক্ষ ৩৩৭টি, মোট ভোটার এক লাখ ৭২ হাজার ৬৯১ জন। উপজেলার সব ভোটকেন্দ্র অধিক গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। সিসি ক্যামেরাগুলো উপজেলা হেডকোয়ার্টারসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে তাত্ক্ষণিক মনিটর করা যাবে। তিনি আরো বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণে বিপুল পরিমাণ সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ ও আনসার সদস্য রয়েছেন। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।