• ই-পেপার

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে সচেতনতামূলক সেনসিটাইজেশন অনুষ্ঠান

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত আরো ৩১

অনলাইন ডেস্ক
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত আরো ৩১
সংগৃহীত ছবি

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে কারো মৃত্যু হয়নি। একই সময়ে ৩১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) সাতজন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৯ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ছয়জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে চারজন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে দুজন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) দুজন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন এবং রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) দুজন রয়েছেন।

আরো পড়ুন
পানছড়িতে রঙিন ফুলকপি চাষে কৃষকের ভাগ্যবদল

পানছড়িতে রঙিন ফুলকপি চাষে কৃষকের ভাগ্যবদল

 

গত ২৪ ঘণ্টায় ৩২ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট এক হাজার ২২৫ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৩০৯ জন। এর মধ্যে ৬৪ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৬ শতাংশ নারী। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যায়নি। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন এক লাখ দুই হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

দেশে নিপাহ ভাইরাসে এক নারীর মৃত্যু, সতর্কবার্তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

অনলাইন ডেস্ক
দেশে নিপাহ ভাইরাসে এক নারীর মৃত্যু, সতর্কবার্তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশে চলতি বছরে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) জানিয়েছে, জানুয়ারি মাসে দেশের উত্তরাঞ্চলে ওই নারী ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

মৃত ঐ নারীর বয়স ছিল ৪০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। গত ২১ জানুয়ারি তার শরীরে জ্বর ও মাথাব্যথাসহ নিপাহ ভাইরাসের লক্ষণ দেখা দেয়। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং এক সপ্তাহ পর তিনি মারা যান। পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, তিনি নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন।

জানা গেছে, ওই নারী সম্প্রতি কোনো ভ্রমণ করেননি, তবে তিনি কাঁচা খেজুরের রস খেয়েছিলেন। সাধারণত নিপাহ ভাইরাস বাদুড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। বাদুড় খেজুরের রস বা কোনো ফল খেলে সেখান থেকে মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।

মারা যাওয়া ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা ৩৫ জনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে, তবে তাদের সবার পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, এই ভাইরাসটি একজনের থেকে অন্যজনে সহজে ছড়ায় না, তাই আন্তর্জাতিকভাবে বড় কোনো ঝুঁকির সম্ভাবনা নেই।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালেও বাংলাদেশে এই ভাইরাসে চারজন মারা গিয়েছিলেন। এখন পর্যন্ত এই রোগের কোনো নির্দিষ্ট ওষুধ বা টিকা আবিষ্কৃত হয়নি।

সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান

দেশে নতুন প্রাণঘাতী ভাইরাস শনাক্ত, বিজ্ঞানীদের সতর্কবার্তা

অনলাইন ডেস্ক
দেশে নতুন প্রাণঘাতী ভাইরাস শনাক্ত, বিজ্ঞানীদের সতর্কবার্তা
সংগৃহীত ছবি

দেশে রহস্যজনক পিআরভি রোগ ছড়ানোর কারণ হিসেবে প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল নিপাহ ভাইরাসকে। কিন্তু নতুন গবেষণায় বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত করেছেন, এটি আসলে নিপাহ নয়। রোগটির উৎস বাদুড়বাহিত নতুন আরেকটি ভাইরাস, যা মানুষের জন্য প্রাণঘাতী হতে পারে। দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

গবেষণায় জানানো হয়, ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৩ সালের মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশে পাঁচজন রোগী জ্বর, বমি, মাথা ব্যথা, অতিরিক্ত ক্লান্তি, মুখে অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ এবং স্নায়বিক জটিলতাসহ নানা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। পাঁচজনই খেজুরের কাঁচা রস পান করেছিলেন, যা বাদুড়ও খেয়ে থাকে। আর খেজুরের কাঁচা রস নিপাহ সংক্রমণের পরিচিত মাধ্যম।

তবে পরীক্ষায় দেখা যায়, আক্রান্তদের কারো শরীরেই নিপাহ ভাইরাস পাওয়া যায়নি। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তারা হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও তিনজন দীর্ঘদিন ধরে তীব্র দুর্বলতা, বিভ্রান্তি, শ্বাস নিতে সমস্যা এবং হাঁটাচলাসহ জটিলতায় ভুগছিলেন। তাদের মধ্যে একজনের ২০২৪ সালে মৃত্যু হয়, যার সুনির্দিষ্ট স্নায়বিক কারণ নির্ধারণ করা যায়নি।

আরো পড়ুন
নারীদের হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখার সহজ উপায় জানালেন বিশেষজ্ঞ

নারীদের হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখার সহজ উপায় জানালেন বিশেষজ্ঞ

 

সর্বশেষ গবেষণায় বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়েছেন, আক্রান্তরা আসলে প্টেরোপাইন অরথোরিওভাইরাস (পিআরভি)-এ সংক্রমিত হয়েছিলেন। এটি একটি বাদুড়বাহিত ভাইরাস, যা মানুষের শরীরে গুরুতর স্নায়বিক ও শারীরিক জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।

গবেষকদের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, এই ভাইরাসটি জিনগত পুনর্গঠনের মাধ্যমে আরো বেশি সংক্রামক ও প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। ফলে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরো পড়ুন
কোন ভিটামিনের অভাবে মুখে ব্রণ বাড়ে? সমাধান কিসে

কোন ভিটামিনের অভাবে মুখে ব্রণ বাড়ে? সমাধান কিসে

 

বিজ্ঞানীরা খেজুর গাছ থেকে নামানো কাঁচা রস পান থেকে বিরত থাকা, নজরদারি জোরদার করা এবং দ্রুত গবেষণা ও প্রস্তুতির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

জেনে নিন প্রোস্টেট রোগের লক্ষণ ও করণীয়

অনলাইন ডেস্ক
জেনে নিন প্রোস্টেট রোগের লক্ষণ ও করণীয়
সংগৃহীত ছবি

প্রোস্টেটের সমস্যা এখন শুধু বয়স্কদের নয়, কমবয়সী পুরুষদের মধ্যেও দেখা দিচ্ছে। সময়মতো চিকিৎসা না করালে এটি প্রোস্টেট ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে। প্রোস্টেটের সমস্যা সাধারণত তিন ধরনের হয়— গ্রন্থি বেড়ে যাওয়া, সংক্রমণ (প্রোস্টেটাইটিস) ও ক্যান্সার।

কোন বয়সে কী লক্ষণ দেখা দেয়?
২৫ থেকে ৪০ বছর : প্রস্রাবের সময় তীব্র জ্বালাপোড়া ও তলপেটে ব্যথা। প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া। ঘন ঘন জ্বর আসা।

৪০ থেকে ৬০ বছর : হুটহাট প্রস্রাবের বেগ পাওয়া (অনেকে একে ডায়াবেটিস ভেবে ভুল করেন)। মূত্রনালিতে বারবার সংক্রমণ হওয়া।

৬০ বছরের ওপরে : প্রস্রাব শুরু হতে দেরি হওয়া বা প্রস্রাবের ধারা দুর্বল হয়ে যাওয়া। রাতে বারবার প্রস্রাবের বেগ আসা।
কোমর ও তলপেটে তীব্র ব্যথা। প্রস্রাবের সাথে রক্ত পড়া এবং মূত্রথলিতে পাথর হওয়ার লক্ষণ দেখা দেওয়া।

কী কী পরীক্ষা করাবেন?
যদি আপনার মধ্যে এসব লক্ষণ দেখা দেয়, তবে দ্রুত নিচের পরীক্ষাগুলো করা উচিত : 

পিএসএ পরীক্ষা : রক্তে প্রস্টেট স্পেসিফিক অ্যান্টিজেনের মাত্রা পরীক্ষা করা।
আলট্রাসনোগ্রাফি : এর মাধ্যমে প্রোস্টেট কতটুকু বেড়েছে তা বোঝা যায়।                                                   

কোলোনোস্কোপি ও অ্যাবডোমিন্যাল আলট্রাসাউন্ড : ৪০ বছর পার হলে নিয়মিত এই পরীক্ষাগুলো করিয়ে রাখা ভালো।

সময়মতো সঠিক চিকিৎসা এবং পরীক্ষার মাধ্যমে প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

সূত্র : আনন্দবাজার