• ই-পেপার

ঠিকানার সংলাপে বক্তা

নতুন সরকারকে অবশ্যই অভিনন্দন জানাতে হবে

মহান শহীদ দিবসে শিলালিপির আয়োজন

অনলাইন ডেস্ক
মহান শহীদ দিবসে শিলালিপির আয়োজন
ছবি: সংগৃহীত

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছে সাংস্কৃতিক সংগঠন শিলালিপি সাংস্কৃতিক বিকাশ কেন্দ্র। এ উপলক্ষে পুরান ঢাকার ওয়ারীর লারমিনি স্ট্রিটে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে ছিল নানা আয়োজন। 

আয়োজনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। 

২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় একুশের কালজয়ী গান  ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ দলীয় পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। কেন্দ্রের উপপরিচালক মৌসুমী আক্তার মনিকার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী ও কেন্দ্রের পরিচালক উত্তম কুমার রায়।  শিশুদের সংস্কৃতিমনষ্ক ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য একসঙ্গে কাজ করতে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা আবৃত্তি, নৃত্য ও সংগীত পরিবেশন করে। পরে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। 

ভালুক কি আসলে শীতনিদ্রায় যায়?

অনলাইন ডেস্ক
ভালুক কি আসলে শীতনিদ্রায় যায়?
সংগৃহীত ছবি

আমরা ছোটবেলা থেকে জেনে এসেছি ভালুক শীতকালে শীতনিদ্রায় যায়। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভালুক আসলে ডিপ হাইবারনেশন বা গভীর শীতনিদ্রায় যায় না। কাঠবিড়ালি বা বাদুড়ের মতো প্রাণীরা যেভাবে শরীরের তাপমাত্রা একদম কমিয়ে ফেলে এবং প্রায় মৃতবৎ পড়ে থাকে, ভালুক তেমনটা করে না।

ভালুক শীতকালে যে অবস্থায় থাকে তাকে বলা হয় টর্পোর। শীতনিদ্রা হলো স্বেচ্ছায় নেওয়া বিশ্রাম, আর টর্পোর হলো খাবারের অভাবে শরীরকে টিকিয়ে রাখার একটি কৌশল। টর্পোরের সময় ভাল্লুক একটানা ঘুমায় না। তারা মাঝেমধ্যে শরীরের পজিশন পরিবর্তন করে, যাতে গায়ে ঘা না হয়। এমনকি স্ত্রী ভালুক এই ঘুমের মধ্যেই বাচ্চার জন্ম দেয় এবং তাদের যত্ন নেয়।

শীতের আগে ভালুক প্রচুর খেয়ে শরীরে চর্বি জমায়। ঘুমের সময় এই চর্বি থেকেই তারা শক্তি পায়। এই সময় তারা কিছু খায় না, এমনকি মলমূত্র ত্যাগও করে না। স্বাভাবিক সময়ে ভালুকের হার্টবিট মিনিটে ৮৪ বার হলেও টর্পোরের সময় তা কমে ১৯ বারে নেমে আসে।

সব ভাল্লুক কি এমন করে?
না, সব ভালুক এমনটা করে না। এটি মূলত খাবারের ওপর নির্ভর করে।

কালো ও বাদামী ভালুক গাছপালা বেশি খায়। শীতকালে গাছপালা থাকে না বলে এরা ঘুমানোর কৌশল নেয়।

মেরু ভালুক মাংসাশী। শীতকালেও এদের শিকার (সিল মাছ) পাওয়া যায়, তাই এরা সারা বছর সক্রিয় থাকে। তবে গর্ভবতী মেরু ভালুকরা বিশ্রামের জন্য গর্তে আশ্রয় নেয়।

পান্ডা মোটেও এমন ঘুমে যায় না। কারণ বাঁশ খেয়ে তারা শরীরে যথেষ্ট চর্বি জমাতে পারে না। ঠাণ্ডা বাড়লে তারা পাহাড়ের নিচে নেমে আসে। 

বিজ্ঞানীরা ভালুকের এই প্রক্রিয়াটি নিয়ে গবেষণা করছেন। কারণ ভালুক মাসের পর মাস নড়াচড়া না করেও তাদের পেশি শুকিয়ে যায় না বা রক্ত জমাট বাঁধে না। এটি বুঝতে পারলে দীর্ঘ সময় হাসপাতালে শুয়ে থাকা রোগীদের চিকিৎসা এবং মহাকাশচারীদের দীর্ঘ যাত্রায় শরীর সুস্থ রাখার নতুন উপায় বের করা সম্ভব হবে।

সূত্র : পপুলার সাইন্স

চাঁদে যাওয়ার রকেটে জ্বালানিসংক্রান্ত সমস্যা, বিপাকে নাসার নতুন মিশন

অনলাইন ডেস্ক
চাঁদে যাওয়ার রকেটে জ্বালানিসংক্রান্ত সমস্যা, বিপাকে নাসার নতুন মিশন
ছবিসূত্র : রয়টার্স

চাঁদে মানুষ পাঠানোর ঐতিহাসিক লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে নাসা। কিন্তু সম্প্রতি আর্টেমিস ২ মিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় রকেটের জ্বালানি নিঃসরণ হওয়ার সমস্যা ধরা পড়েছে। এই সমস্যার কারণে চারজন নভোচারীকে নিয়ে চাঁদের চারপাশ ঘুরে আসার ১০ দিনের মিশনটি কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

রকেটের মূল জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয় অতিশীতল তরল হাইড্রোজেন। পরীক্ষার সময় দেখা যায়, রকেটের সংযোগস্থল থেকে এই হাইড্রোজেন বের হয়ে যাচ্ছে। হাইড্রোজেনের অণুগুলো খুব ছোট হওয়ায় সামান্য ফাঁক পেলেই তা বের হয়ে যায়। নাসার প্রকৌশলীরা জানান, এটি বেশ পুরনো সমস্যা; এর আগে ২০২২ সালেও একই কারণে বারবার উৎক্ষেপণ পেছানো হয়েছিল।

ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও নাসা হাইড্রোজেন ব্যবহার করে, কারণ এটি রকেটকে অনেক বেশি শক্তি দিতে পারে। কম জ্বালানি পুড়িয়ে অনেক বেশি ওজন মহাকাশে পাঠানো সম্ভব হয় বলে এটি রকেট বিজ্ঞানে অত্যন্ত কার্যকর।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই রকেটে পুরনো ‘স্পেস শাটল’ প্রগ্রামের যন্ত্রাংশ ও প্রযুক্তি নতুন করে ব্যবহার করা হয়েছে। মার্কিন সংসদীয় সিদ্ধান্তের কারণে পুরনো কর্মীদের কাজ ও সরবরাহব্যবস্থা ঠিক রাখতে গিয়েই নাসা পুরনো পদ্ধতিতে রকেটটি বানিয়েছে। বর্তমানে নাসা স্বীকার করেছে যে এই রকেটটি এখনো পুরোপুরি ‘অপারেশনাল’ নয়, বরং একটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে আছে।

নাসা ইতিমধ্যে নিঃসরণ হওয়া জায়গার সিলগুলো পরিবর্তন করেছে এবং বিশেষ কৌশলে জ্বালানি পূর্ণ করার কাজ চালাচ্ছে। নাসা প্রশাসক জানিয়েছেন, নতুন করে পরীক্ষার পর নিঃসরণের হার কমে এসেছে। তাদের দাবি, হাইড্রোজেনে লিকের ভয় থাকলেও তারা এটি নিরাপদে ব্যবহার করতে দক্ষ।

সূত্র : সিএনএন

আজকের দিন : ইতিহাসের আয়নায় ১৯ ফেব্রুয়ারি

অনলাইন ডেস্ক
আজকের দিন : ইতিহাসের আয়নায় ১৯ ফেব্রুয়ারি

প্রতিটি দিন সময়ের নদীতে হারিয়ে যায়, কিন্তু কিছু দিন রয়ে যায় স্মৃতির পাতায়, ইতিহাসের পাতায়। এসব দিনেই ঘটে যায় কিছু যুগান্তকারী ঘটনা—মানবসভ্যতার অগ্রযাত্রা, প্রথম আবিষ্কার, বিপ্লব কিংবা বেদনাবিধুর মুহূর্ত।

আজ বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। ইতিহাসের পাতায় এই দিনটির রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব।

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে নানা দেশে, নানা প্রান্তে এই দিনে ঘটেছে নানা উল্লেখযোগ্য ঘটনা, যা আজও আমাদের ভাবায়, শিক্ষা দেয় এবং ইতিহাসকে বুঝতে সহায়তা করে। 

চলুন, ফিরে দেখি ১৯ ফেব্রুয়ারি ক্যালেন্ডারে খোদাই হয়ে থাকা কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দিকে—

১৬১৮ - ডেনিস-অস্ট্রেলিয়া যুদ্ধের অবসান। মাদ্রিদ শান্তি চুক্তি অনুমোদন।

১৮৫৫ - লিভারপুলে খাদ্যা দাঙ্গা শুরু।

১৮৭৮ - টমাস আলভা এডিসন ফনোগ্রাফ পেটেন্ট করেন।

১৮৯১ - ‘অমৃত বাজার পত্রিকা’ দৈনিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়।

১৯০৪ - ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন ঢাকাতে কার্জন হলের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।

১৯২৪ - জেনেভায় আন্তর্জাতিক মাদক কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৪১ - কেনিয়ায় অবস্থানরত ব্রিটিশ বাহিনী ইতালীয় সোমালিল্যান্ড দখল করে নেয়।

১৯৫১ - নেপালে গণঅভ্যুত্থানে ১০৪ বছরের পুরনো রানা শাসনামলের পতন এবং রাজ পরিবারের ক্ষমতায় পুনঃঅধিষ্ঠিত।

১৯৬৩ - সোভিয়েত ইউনিয়ন কিউবা থেকে সশস্ত্র বাহিনী প্রত্যাহারে সম্মত হয়।

১৯৭৪ - বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার রমনা থানার সেগুনবাগিচায় প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৮৮ - ইরানের একটি যাত্রীবাহী বিমানের উপর ইরাকের সাবেক স্বৈরশাসকের সেনাবাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় হোজ্জাতুল ইসলাম ফাজল্লাহ মাহলাদী শহীদ হন।

সূত্র : উইকিপিডিয়া