• ই-পেপার

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ফেব্রুয়ারির বেতন নিয়ে নতুন নির্দেশনা

কুবিতে ছাত্রদল নেতার উদ্যোগে ১০ দিনের গণইফতার

কুবি প্রতিনিধি
কুবিতে ছাত্রদল নেতার উদ্যোগে ১০ দিনের গণইফতার
ছবি : কালের কণ্ঠ

রমজানের বিকেল মানেই ইফতারের অপেক্ষা, প্রার্থনার অপেক্ষা, আর একটু স্বস্তির অপেক্ষা। সূর্য ঢলে পড়ছে পশ্চিম আকাশে, আর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ব্যাডমিন্টন কোর্টে জমতে শুরু করেছে এক ভিন্ন আবহ।

দলে দলে এসে সমবেত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। আজানের ধ্বনির সঙ্গে সঙ্গে শরিক হবেন ইফতার আয়োজনে। কোর্টজুড়ে নেই কোনো র‌্যাকেটের শব্দ, নেই প্রতিযোগিতার উত্তাপ, বরং রয়েছে অপেক্ষা, কৃতজ্ঞতা আর ভাগাভাগি করে নেওয়ার আনন্দ।

এই আয়োজনের নেপথ্যে রয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল বাশার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। সম্প্রতি তিনি ওবিই কারিকুলামের আওতাধীন একই বিভাগে মাস্টার্স কোর্সে ভর্তি হয়েছেন।

প্রথম রমজান থেকে টানা দশম রমজান পর্যন্ত প্রতিদিন ১২০-১৫০ জন রোজাদারের ইফতারের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন তিনি। ব্যক্তিগত উদ্যোগে ব্যাডমিন্টনকে কোর্ট রূপ দিয়েছেন সমবেত ইফতার প্রাঙ্গণে।

বাশারের ইফতার সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ছোলা বুট, মুড়ি, জিলাপি, কলা, আলুর চপ, পিঁয়াজু, কলা, শরবত ইত্যাদির মিশ্রণে একজনের পরিমাণমতো। সকলকিছুর জোগানদাতা আবুল বাশার নিজেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের বাহিরে দোকান থেকে খাবার সামগ্রী সংগ্রহের মাধ্যমে এই আয়োজনকে চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

তবে অল্প কয়েকদিনে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ফলে এই উদ্যোগটাকে ক্যাম্পাস বন্ধ হওয়া অবধি চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

বাশারকে এই কাজে সাহায্যকারী ছাত্রদল কর্মী আসিফ বলেন, ‘যে কোনো ব্যতিক্রমধর্মী কাজ, যেগুলো শিক্ষার্থীদের কাজে আসে, সাধারণ মানুষদের কাজে আসে, সেগুলোর মধ্যে একটা আনন্দ লুকিয়ে আছে। প্রচুর পরিমাণ পরিশ্রম করার পর যখন দেখি, মানুষ এটাকে প্রশংসা করে, ভালোভাবে নেয়, তখন এটাতে একটা ভালোলাগা কাজ করে। আমার মনে হয়, এইরকম উদ্যোগ ক্যাম্পাসে রিচ্যুয়ালে পরিণত হোক।’

এই উদ্যোগ নেওয়ার পেছনের কারণ হিসেবে উদ্যোক্তা আবুল বাশার বলেন, ‘আমার কিছু ছোট ভাই এটার প্ল্যান করেছিল, পরে তাদের সহায়তায় আমি কাজটা করে যাচ্ছি। এই উদ্যোগটা নেওয়ার পরে দেখা যাচ্ছে, সেসব ছোটভাইদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ হয় না, ইফতারের মাধ্যমে তাদেরকে কাছে পাচ্ছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘এখন অবধি আমার ফান্ডিংয়েই পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী অল্প অল্প সাহায্য করেছে, অনেকে করবে বলে জানিয়েছে। তাই আমার মনে হচ্ছে আমি এটা শেষে পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারব। এছাড়া রাজনীতির বাহিরে আমার নিজস্ব কিছু শুভাকাঙ্ক্ষী রয়েছে, তারা ইতোমধ্যে যোগাযোগ করেছে।’

পাবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১

পাবিপ্রবি প্রতিনিধি
পাবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১
সংগৃহীত ছবি

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ছাত্রদলের এক কর্মী আহত হয়েছেন। তাকে পাবনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এ ঘটনা ঘটে।

আহত ওই শিক্ষার্থীর নাম অমিত কবিরাজ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সভাপতি মুজাহিদ হোসেনের অনুসারী।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সোমবার সকালে নারীঘটিত বিষয় নিয়ে প্রথমে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অমিত কবিরাজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মুজাহিদ হোসেনের অনুসারী ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের গবেষণা সম্পাদক মেহেদী হাসানের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এ বিষয়কে কেন্দ্র করে ছাত্রদল সভাপতির দুই পক্ষ দুইদিকে বিভক্ত হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকের সামনে দুপুর ১টার দিকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

এ সময় অমিত কবিরাজের পক্ষ নেয় ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক রুমেল হোসেন, ফয়সাল, রাসেল এবং মেহেদীর পক্ষ নেয় ইমরান, মেহেদীসহ আরও কয়েকজন। এ সময় মেহেদী হাসানের পক্ষের কর্মীদের আঘাতে অমিত কবিরাজের বাঁ হাতের আঙুল ভেঙে যায়।

পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদুল হক ও প্রক্টর কামরুজ্জামান খান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। তারপর আহত শিক্ষার্থীকে পাবনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আহত ছাত্রদল কর্মী অমিত কবিরাজ জানান, রাজনৈতিক ক্ষমতার বলে মেহেদী আমাকে আঘাত করেছে। সে আমার ওপর নারীঘটিত মিথ্যা দোষারোপ করেছে।

অভিযুক্ত মেহেদীর সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মুজাহিদ হোসেনেরও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

পাবনা সদর হাসপাতালের ডাক্তার মো. পলাশ বলেন, অমিতের বাম হাতের আঙুলে ফ্যাকচার দেখা গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান খান বলেন, তারা নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি করেছে। আমি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে গিয়েছিলাম। পরে তাদের মীমাংসা করে দেওয়া হয়েছে।

ঢাবি থেকে কত টাকা বরাদ্দ পেলেন ডাকসু নেতারা?

অনলাইন ডেস্ক
ঢাবি থেকে কত টাকা বরাদ্দ পেলেন ডাকসু নেতারা?
ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ২৫ নেতাকে ১ লাখ করে ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে প্রশাসন। ডাকসুর সহসভাপতি (ভিপি), সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও সহ-সাধারণ সম্পাদকের (এজিএস) বাইরে অন্য নেতারা এ বরাদ্দ পেলেন।

ডাকসুর কোষাধ্যক্ষ ফিন্যান্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এইচ এম মোশারফ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নিজেদের আওতাধীন বিভিন্ন প্রোগ্রাম আয়োজন ও কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য তারা এ বরাদ্দ পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১৭ নভেম্বর কার্যনির্বাহী সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভিপি, জিএস ও এজিএস ব্যতীত ১২ জন সম্পাদক ও ১৩ জন কার্যনির্বাহী সদস্যের জন্য প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ মোট ২৫ জনের জন্য ২৫ লাখ টাকা। 

এতে বলা হয়েছে, ‘আপনার নিজ বরাদ্দকৃত বাজেটের টাকা তুলে আপনাকে প্রোগ্রাম করার জন্য আহ্বান করা যাচ্ছে।’ গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিজ্ঞপ্তিটি জারি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ডাকসুর সদস্য মো শাহিনুর রহমান বলেন, ‘আমরা এখনো বরাদ্দকৃত অর্থ হাতে পাইনি। প্রশাসন থেকে যে অর্থ দেওয়া হয়েছে, তা দিয়ে সাংস্কৃতিক কয়েকটি প্রোগ্রাম করার পরিকল্পনা আছে।’

পাবিপ্রবি প্রেসক্লাবের নেতৃেত্বে তানিম-সানি

পাবিপ্রবি প্রতিনিধি
পাবিপ্রবি প্রেসক্লাবের নেতৃেত্বে তানিম-সানি
ছবি: কালের কণ্ঠ

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের (পাবিপ্রবি প্রেসক্লাব) ৩য় কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি পদে দৈনিক মানবজমিনের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি এমরান হোসেন তানিম এবং সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক যুগান্তরের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আলফি সানি নির্বাচিত হয়েছেন।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সংগঠনটির কার্যালয়ে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেন।

শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মীর হুমায়ুন কবীর এবং নির্বাচন কমিশনার মো. গালিব হাসান।

কার্যকরী পরিষদের নির্বাচিত অন্য সদস্যরা হলেন— প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে বি. এম. মিকাইল হোসাইন (দৈনিক নয়াদিগন্ত), দপ্তর সম্পাদক পদে মো. সাজ্জাদুল ইসলাম (দৈনিক ইনকিলাব), কোষাধ্যক্ষ পদে আহসান হাবিব আতিক (দৈনিক জনকণ্ঠ) নির্বাচিত হয়েছেন৷ এ ছাড়াও কার্যনির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন মনিরুল ইসলাম (ডেইলি ক্যাম্পাস) ও ভাস্কর চন্দ্র রায় (বুলেটিন বার্তা)।