• ই-পেপার

পাবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১

কুবিতে ছাত্রদল নেতার উদ্যোগে ১০ দিনের গণইফতার

কুবি প্রতিনিধি
কুবিতে ছাত্রদল নেতার উদ্যোগে ১০ দিনের গণইফতার
ছবি : কালের কণ্ঠ

রমজানের বিকেল মানেই ইফতারের অপেক্ষা, প্রার্থনার অপেক্ষা, আর একটু স্বস্তির অপেক্ষা। সূর্য ঢলে পড়ছে পশ্চিম আকাশে, আর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ব্যাডমিন্টন কোর্টে জমতে শুরু করেছে এক ভিন্ন আবহ।

দলে দলে এসে সমবেত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। আজানের ধ্বনির সঙ্গে সঙ্গে শরিক হবেন ইফতার আয়োজনে। কোর্টজুড়ে নেই কোনো র‌্যাকেটের শব্দ, নেই প্রতিযোগিতার উত্তাপ, বরং রয়েছে অপেক্ষা, কৃতজ্ঞতা আর ভাগাভাগি করে নেওয়ার আনন্দ।

এই আয়োজনের নেপথ্যে রয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল বাশার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। সম্প্রতি তিনি ওবিই কারিকুলামের আওতাধীন একই বিভাগে মাস্টার্স কোর্সে ভর্তি হয়েছেন।

প্রথম রমজান থেকে টানা দশম রমজান পর্যন্ত প্রতিদিন ১২০-১৫০ জন রোজাদারের ইফতারের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন তিনি। ব্যক্তিগত উদ্যোগে ব্যাডমিন্টনকে কোর্ট রূপ দিয়েছেন সমবেত ইফতার প্রাঙ্গণে।

বাশারের ইফতার সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ছোলা বুট, মুড়ি, জিলাপি, কলা, আলুর চপ, পিঁয়াজু, কলা, শরবত ইত্যাদির মিশ্রণে একজনের পরিমাণমতো। সকলকিছুর জোগানদাতা আবুল বাশার নিজেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের বাহিরে দোকান থেকে খাবার সামগ্রী সংগ্রহের মাধ্যমে এই আয়োজনকে চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

তবে অল্প কয়েকদিনে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ফলে এই উদ্যোগটাকে ক্যাম্পাস বন্ধ হওয়া অবধি চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

বাশারকে এই কাজে সাহায্যকারী ছাত্রদল কর্মী আসিফ বলেন, ‘যে কোনো ব্যতিক্রমধর্মী কাজ, যেগুলো শিক্ষার্থীদের কাজে আসে, সাধারণ মানুষদের কাজে আসে, সেগুলোর মধ্যে একটা আনন্দ লুকিয়ে আছে। প্রচুর পরিমাণ পরিশ্রম করার পর যখন দেখি, মানুষ এটাকে প্রশংসা করে, ভালোভাবে নেয়, তখন এটাতে একটা ভালোলাগা কাজ করে। আমার মনে হয়, এইরকম উদ্যোগ ক্যাম্পাসে রিচ্যুয়ালে পরিণত হোক।’

এই উদ্যোগ নেওয়ার পেছনের কারণ হিসেবে উদ্যোক্তা আবুল বাশার বলেন, ‘আমার কিছু ছোট ভাই এটার প্ল্যান করেছিল, পরে তাদের সহায়তায় আমি কাজটা করে যাচ্ছি। এই উদ্যোগটা নেওয়ার পরে দেখা যাচ্ছে, সেসব ছোটভাইদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ হয় না, ইফতারের মাধ্যমে তাদেরকে কাছে পাচ্ছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘এখন অবধি আমার ফান্ডিংয়েই পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী অল্প অল্প সাহায্য করেছে, অনেকে করবে বলে জানিয়েছে। তাই আমার মনে হচ্ছে আমি এটা শেষে পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারব। এছাড়া রাজনীতির বাহিরে আমার নিজস্ব কিছু শুভাকাঙ্ক্ষী রয়েছে, তারা ইতোমধ্যে যোগাযোগ করেছে।’

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ফেব্রুয়ারির বেতন নিয়ে নতুন নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ফেব্রুয়ারির বেতন নিয়ে নতুন নির্দেশনা
সংগৃহীত ছবি

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ইএফটি (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) পদ্ধতিতে দ্রুত পাঠানোর লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাসের বিল অনলাইনে সাবমিট করার কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

আরো পড়ুন
ঈদুল ফিতরে কত দিনের ছুটি থাকবে?

ঈদুল ফিতরে কত দিনের ছুটি থাকবে?

 

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ভুল বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য দিলে কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিওর টাকা ইএফটিতে পাঠানো না হলে তার দায়ভার প্রতিষ্ঠান প্রধানের ওপরই থাকবে।

চিঠিতে বলা হয়, প্রতিষ্ঠান প্রধানরা ইএমআইএস সিস্টেমে লগ-ইন করে ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফেব্রুয়ারি মাসের এমপিও বিল অনলাইনে সাবমিট করবেন। সময়মতো বিল জমা না দিলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ইএফটিতে পাঠানো হবে না।

আরো পড়ুন
ডামুড্যায় নসিমন ও ইজি বাইক সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ২

ডামুড্যায় নসিমন ও ইজি বাইক সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ২

 

নির্দেশনায় বলা হয়, প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা তাদের ব্যবহারিক আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ইএমআইএস সিস্টেমের এমপিও-ইএফটি মডিউলে প্রবেশ করে প্রতিটি শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য আলাদা-আলাদা ভাবে বিধি মোতাবেক প্রাপ্য এমপিও টাকার হিসাব নির্ধারণ করে বিল সাবমিট করবেন। সাবমিট করা বিলের কপি ডাউনলোড করে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি কর্তৃক স্বাক্ষর করে সংরক্ষণ করতে হবে। এতে ভবিষ্যতে কোনো জটিলতা সৃষ্টি হলে নথি হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

প্রতিষ্ঠান তালিকায় থাকা কোনো শিক্ষক-কর্মচারী মৃত্যুবরণ বা পদত্যাগ করলে সংশ্লিষ্ট মাসের বিধিমতে প্রাপ্যতা নির্ধারণ করে বিল সাবমিট করতে হবে। সাময়িক বরখাস্ত, অনুমোদনহীন অনুপস্থিতি বা অন্য কোনো কারণে বিধিমতো বেতন কর্তন বা বন্ধের প্রয়োজন হলে তা বিল সাবমিট অপশনে উল্লেখ করতে হবে।

নির্দেশনায় আরও জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র আইবাসে যাচাই করা ভ্যালিড জনবল তথ্যই বিল সাবমিট অপশনে যুক্ত রয়েছে। যাদের তথ্য এখনও ভুল আছে, তাদের সঠিক তথ্য প্রাপ্তি ও যাচাইয়ের পর পরবর্তীতে বিল সাবমিট অপশনে যুক্ত করা হবে। ভুল তথ্য দিলে এমপিওর টাকা না পৌঁছানোর দায়ভার প্রতিষ্ঠান প্রধানের উপরই বর্তাবে।

ঢাবি থেকে কত টাকা বরাদ্দ পেলেন ডাকসু নেতারা?

অনলাইন ডেস্ক
ঢাবি থেকে কত টাকা বরাদ্দ পেলেন ডাকসু নেতারা?
ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ২৫ নেতাকে ১ লাখ করে ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে প্রশাসন। ডাকসুর সহসভাপতি (ভিপি), সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও সহ-সাধারণ সম্পাদকের (এজিএস) বাইরে অন্য নেতারা এ বরাদ্দ পেলেন।

ডাকসুর কোষাধ্যক্ষ ফিন্যান্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এইচ এম মোশারফ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নিজেদের আওতাধীন বিভিন্ন প্রোগ্রাম আয়োজন ও কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য তারা এ বরাদ্দ পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১৭ নভেম্বর কার্যনির্বাহী সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভিপি, জিএস ও এজিএস ব্যতীত ১২ জন সম্পাদক ও ১৩ জন কার্যনির্বাহী সদস্যের জন্য প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ মোট ২৫ জনের জন্য ২৫ লাখ টাকা। 

এতে বলা হয়েছে, ‘আপনার নিজ বরাদ্দকৃত বাজেটের টাকা তুলে আপনাকে প্রোগ্রাম করার জন্য আহ্বান করা যাচ্ছে।’ গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিজ্ঞপ্তিটি জারি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ডাকসুর সদস্য মো শাহিনুর রহমান বলেন, ‘আমরা এখনো বরাদ্দকৃত অর্থ হাতে পাইনি। প্রশাসন থেকে যে অর্থ দেওয়া হয়েছে, তা দিয়ে সাংস্কৃতিক কয়েকটি প্রোগ্রাম করার পরিকল্পনা আছে।’

পাবিপ্রবি প্রেসক্লাবের নেতৃেত্বে তানিম-সানি

পাবিপ্রবি প্রতিনিধি
পাবিপ্রবি প্রেসক্লাবের নেতৃেত্বে তানিম-সানি
ছবি: কালের কণ্ঠ

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের (পাবিপ্রবি প্রেসক্লাব) ৩য় কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি পদে দৈনিক মানবজমিনের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি এমরান হোসেন তানিম এবং সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক যুগান্তরের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আলফি সানি নির্বাচিত হয়েছেন।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সংগঠনটির কার্যালয়ে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেন।

শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মীর হুমায়ুন কবীর এবং নির্বাচন কমিশনার মো. গালিব হাসান।

কার্যকরী পরিষদের নির্বাচিত অন্য সদস্যরা হলেন— প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে বি. এম. মিকাইল হোসাইন (দৈনিক নয়াদিগন্ত), দপ্তর সম্পাদক পদে মো. সাজ্জাদুল ইসলাম (দৈনিক ইনকিলাব), কোষাধ্যক্ষ পদে আহসান হাবিব আতিক (দৈনিক জনকণ্ঠ) নির্বাচিত হয়েছেন৷ এ ছাড়াও কার্যনির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন মনিরুল ইসলাম (ডেইলি ক্যাম্পাস) ও ভাস্কর চন্দ্র রায় (বুলেটিন বার্তা)।