• ই-পেপার

সাবেক মেয়র কিরণের ৪১ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ

যুবদল নেতা হত্যায় হাসিনাসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক
যুবদল নেতা হত্যায় হাসিনাসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
সংগৃহীত ছবি

জুলাই আন্দোলনে যুবদল নেতা হাফিজুর রহমান সুমনকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট।

তবে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় বরিশাল-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপুসহ ৬৩ জনকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে। 

গত ৩ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের ইনভেস্টিগেশন শাখার পরিদর্শক মোহাম্মদ আতিকুর রহমান খান আদালতে এ অভিযোগপত্র দেন।

আরো পড়ুন
কে হচ্ছেন স্পিকার, আলোচনায় যাদের নাম

কে হচ্ছেন স্পিকার, আলোচনায় যাদের নাম

 

অভিযোগপত্রের অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত ওরফে এম এ আরাফাত, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাসান মাহমুদ, সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবীর নানক, হারুন অর রশিদ বিশ্বাস, মানাম আহমেদ রাতুল, মো. রায়হান ওরফে রাহেল, আব্দুর রহমান রাসেল, শহিদুল ইসলাম ওরফে রানা ওরফে লম্বু রানা, সোহাগ ওরফে রানা, আসাদুজ্জামান নুর ওরফে আসাদ, টাডি রাজু।

আরো পড়ুন
বাংলাদেশের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের সূচি ঘোষণা, জোহানেসবার্গে টেস্ট খেলবে প্রথমবার

বাংলাদেশের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের সূচি ঘোষণা, জোহানেসবার্গে টেস্ট খেলবে প্রথমবার

 

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দুপুর ১টার দিকে শেরেবাংলানগর মহিলা কলেজসংলগ্ন এলাকায় আন্দোলনে অংশ নেন হাফিজুর রহমান সুমন। দুপুর ২টা থেকে আড়াইটার দিকে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায়। গুরুতর আহন হন সুমন। আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৬ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টার দিকে মারা যান সুমন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মোসা. বিথী খাতুন ২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর শেরেবাংলানগর থানায় শেখ হাসিনাসহ ৬৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ২০-৩০ জনের  বিরুদ্ধে মামলা করেন।

বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি
বিচারপতি নাইমা হায়দার। ছবি : সংগৃহীত

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন বিচারপতি নাইমা হায়দার। তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয়ের এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক বিচারপতি নাইমা হায়দার সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের দফা ৮ মোতাবেক স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদত্যাগ করেছেন। রাষ্ট্রপতি তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।  

গত ৫ ফেব্রুয়ারি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন বিচারপতি নাইমা হায়দার। চব্বিশের গণ-আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ওই বছর ১৬ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অবস্থান ও বিক্ষোভের মুখে হাইকোর্ট বিভাগের ১২ জন বিচারপতিকে বেঞ্চ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানান তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। এরপর থেকে তাদের বিচারকাজ থেকে বাইরে রাখা হয়। এই ১২ জন বিচারপতির মধ্যে বিচারপতি নাইমা হায়দারও ছিলেন। 

সুপ্রিম কোর্টের একটি সূত্র জানিয়েছে, বিচারকাজ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর তিনি ছুটিতে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে তদন্ত চলছিল।

হাইকোর্টের ২ বিচারপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ

অনলাইন ডেস্ক
হাইকোর্টের ২ বিচারপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ
সংগৃহীত ছবি

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি নাইমা হায়দার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান-এর ৯৬ অনুচ্ছেদ-এর দফা (৮) মোতাবেক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদত্যাগ করেছেন। রাষ্ট্রপতি তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।

এর আগে ২ ফেব্রুয়ারি এক বছর ধরে ছুটিতে থাকা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান পদত্যাগ করেন। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি বরাবর পাঠানো পদত্যাগ পত্রটি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও আইন মন্ত্রণালয়ের ই-মেইলে পাঠান তিনি। কানাডা থেকে বিচারপতি মামনুন রহমান পদত্যাগ পত্রটি পাঠিয়েছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে গত ৯ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার পদত্যাগ করেন। তার পদত্যাগপত্রটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়।

সেদিন সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বিচারপতি নাইমা হায়দার গত ৫ ফেব্রুয়ারি স্বহস্তে নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে স্বীয় পদ হতে পদত্যাগ করার ইচ্ছা পোষণ করে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। এরই মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট হতে পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।

চাঁদাবাজ ধরে মাইকিং, গ্রেপ্তার ফারুক রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক
চাঁদাবাজ ধরে মাইকিং, গ্রেপ্তার ফারুক রিমান্ডে
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে চাঁদাবাজ হিসেবে ফারুক ওরফে কাইল্লা ফারুক নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পর মাইকিং করে পুলিশ। পরে হত্যাচেষ্টার মামলায় তার দুই দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এহসানুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

আরো পড়ুন
বাহ্যিক নয়, অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনেই রমজানের প্রকৃত সার্থকতা

বাহ্যিক নয়, অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনেই রমজানের প্রকৃত সার্থকতা

 

এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ থানার উপপরিদর্শক রাজু আহম্মেদ তার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। তারপক্ষে আইনজীবী রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে রবিবার বিকেলে কেরানীগঞ্জ থানার কলাতিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফারুককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে মোহাম্মদপুর থানার ওসি তাকে নিয়ে মাইকিং করে ‘চাঁদাবাজ ধরা হয়েছে’ খবর দিয়ে কাউকে চাঁদা না দেওয়ার আহ্বান জানান।

আরো পড়ুন
ফের অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে দীপিকা

ফের অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে দীপিকা

 

মামলার সূত্রে জানা গেছে, আসামিরা গ্রীনভিউ হাউজিং এলাকায় মাদক স্পটে নেতৃত্ব দেয়। ব্যবসায়ী রাসেল ও তার বন্ধু মো. মামুন এই এলাকার মাদক স্পট বন্ধ করে দেয়। আসামিদের নেতৃত্বে অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জন ৮ মোহাম্মদপুরের বছিলা রোড এলাকায় ফুটপাতের দোকানদারদের থেকে চাঁদা দাবি করে। রাসেল ও মামুনসহ আরো লোকজন আসামিদের চাঁদাবাজিতে বাধা দেয়। তখন অজ্ঞাতনামা আসামিরা রাসেল ও মামুনকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে চলে যায়। গত ২১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে আসামিরা অস্ত্রসহ বছিলা রোড এলাকায় এসে তাদের মারধর করে রক্তাক্ত করে। পরবর্তীতে তাদের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন আসলে তারা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় রাসেল মোহাম্মদপুর থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।