
মারীন আজফার জারীফ, দ্বিতীয় শ্রেণি, আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল, ঢাকা


মারীন আজফার জারীফ, দ্বিতীয় শ্রেণি, আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল, ঢাকা

তিলে তিলে তিলোত্তমা
আমার জেলা ভোলা
মায়া মমতা মাখা
মায়ের মুখের হাসি
সুখ দুঃখের মালা।
কত পথ হেঁটেছি
কত কী দেখেছি
কোথাও নেই এমন ভূমি,
খাল নদী ফুল ফল
তরুলতা শস্য শ্যামল
তোমার অধর চুমি।
মহিষের দধি ইলিশের বাহার
নারিকেল সুপারি ঠাসা,
পলিমাটির সরল মানুষ
মেহমানদারি নেশা।
উজাড় করে ঢেলে দেয়
হৃদয়ের ভালোবাসা।
ভোলার মানুষ স্বাধীনচেতা
মেধা প্রজ্ঞায় বলীয়ান,
পলিমাটির অধিকার আদায়ে
জীবন করবে দান।
এই তো আমার দেশ
আমার ভালোবাসা
সকল দুঃখ ভুলিয়ে দেয়
পুরায় মনের আশা।

বন কাঠের হাঁস পুকুর জলে
খেলছে সাঁতার ডুব,
শীতল জলে শীতের দিনে
ঠাণ্ডা লাগল খুব।
ঝিলের জলে ধুম কুয়াশা
ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর ডাক,
ব্যাঙ বাবাজির সর্দি হলো
বন্ধ দুটো নাক।
খবরখানা জানিয়ে দিল
বনের সবুজ টিয়া,
হাঁসের হলো কাশি ভীষণ
ব্যাঙের নিমোনিয়া।
গ্যারাম থেকে দূরের গঞ্জে
হাঁকিয়ে মোটর গাড়ি,
হাঁস এলো, ব্যাঙ এলো শেষে
তাই কবিরাজ বাড়ি।

অনেককাল আগের কথা। কাকেরা তখন কথা বলতে পারত। কিন্তু কাকেরা যেটি বলতে চায় তার ঠিক উল্টোটা বলত। যেমন কেউ যদি তার ক্ষতি করে তাহলে বলে ধন্যবাদ, আর সাহায্য করলে বকা দেয়। আবার কাক যদি কাউকে ধন্যবাদ দিতে চায় দিয়ে দেয় গালি, আর গালি দিতে গেলে ধন্যবাদ দেয়। কিন্তু অন্যরা তা বুঝত না। এরকমভাবে একদিন এক জাদুকরকে এক কাক গালি দিল; কিন্তু বলতে চেয়েছিল ধন্যবাদ। গালি শুনে জাদুকর রেগে গিয়ে কাকের ওপর জাদু করে কাকের কথা বলা কেড়ে নেয়। আর সেইদিন থেকে কাক শুধুই কা কা কা কা বলতে থাকে।