• ই-পেপার

অতিরিক্ত ফাইবার কি মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলতে পারে?

রমজানে ভালো ঘুমের জন্য যা খাবেন

অনলাইন ডেস্ক
রমজানে ভালো ঘুমের জন্য যা খাবেন
সংগৃহীত ছবি

রমজান মাসে মানুষের প্রত্যাহিক জীবনে বড় পরিবর্তন আসে। কারণ ইফতার, সাহরি ও তারাবির নামাজ পড়তে হয়। যেগুলো অন্য মাসে করা লাগে না।  খাবার ও ঘুমের সময় বদলে যাওয়ায় অনেকেরই ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়। তাই সুস্থ থাকতে এ সময়ে সঠিক খাবার নির্বাচন ও পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা জরুরি।

অনেক সময় রাতের খাবারের পরও হালকা ক্ষুধা অনুভূত হয়। এ সময় ভাজাপোড়া বা ভারী খাবার খেলে যেমন ওজন বাড়তে পারে, তেমনি ঘুমও ব্যাহত হতে পারে। তাই ঘুমের আগে হালকা ও পুষ্টিকর খাবার বেছে নেওয়া ভালো, যা শরীরকে স্বস্তি দেবে এবং ঘুমও ভালো করতে সাহায্য করবে।

 

ডিম

রাতের খাবারে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখা উপকারী। ঘুমানোর এক থেকে দুই ঘণ্টা আগে একটি সিদ্ধ ডিম খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে। ডিমের উচ্চমানের প্রোটিন শরীরের শক্তি বজায় রাখতে এবং পেশি পুনর্গঠনে সহায়ক। সাধারণত রাতে ডিম খেলে হজমজনিত সমস্যাও কম হয়, ফলে অপ্রয়োজনীয় খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে।

মরিচ

ডিনারে অল্প ঝাল রাখা যেতে পারে। কাঁচা মরিচ বা সামান্য মরিচের গুঁড়া খাবারের সঙ্গে খেলে শরীরের তাপ উৎপাদন প্রক্রিয়া কিছুটা বাড়ে, যা ক্যালোরি খরচে সহায়তা করতে পারে। এতে বিপাকক্রিয়াও সক্রিয় থাকে। চাইলে হালকা গরম পানিতে সামান্য মরিচ গুঁড়া মিশিয়েও পান করা যেতে পারে।

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার

ওজন নিয়ন্ত্রণে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার অনেকেই ব্যবহার করেন। এক গ্লাস পানিতে এক টেবিল চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে ঘুমানোর প্রায় আধা ঘণ্টা আগে পান করলে হজমে উপকার পাওয়া যেতে পারে এবং বিপাকক্রিয়া সক্রিয় হতে পারে। তবে যাদের গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটির সমস্যা রয়েছে, তাদের সতর্ক থাকা উচিত।

ক্যামোমাইল পানীয়

ঘুমের জন্য ভেষজ পানীয় বেশ উপকারী। ক্যামোমাইল চা শরীর ও মনকে শান্ত করতে সাহায্য করে। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করতে পারে এবং প্রদাহ কমাতেও ভূমিকা রাখে। ঘুমানোর প্রায় ৩০ মিনিট আগে এক কাপ ক্যামোমাইল চা পান করলে আরামদায়ক ঘুম হতে পারে।

সচেতনভাবে খাবার খেলে রমজানে ভালো ঘুম ও ওজন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তাই ভারী খাবারের বদলে হালকা ও পুষ্টিকর খাবার হতে পারে আদর্শ খাবার।

সুস্থভাবে রোজা রাখতে ডায়াবেটিক রোগীদের করণীয়

জীবনযাপন ডেস্ক
সুস্থভাবে রোজা রাখতে ডায়াবেটিক রোগীদের করণীয়
সংগৃহীত ছবি

রমজান মাসে ডায়াবেটিক রোগীদের রোজা রাখার ক্ষেত্রে বিশেষ সাবধানতা প্রয়োজন। নিয়ম মেনে চললে অসুস্থতা এড়িয়ে সুস্থভাবে রোজা রাখা সম্ভব। চলুন, জেনে নিই সহজ কিছু পরামর্শ।

সেহরিতে যা করবেন
শেষ সময়ে সেহরি : সেহরি একদম শেষ সময়ের কাছাকাছি সময়ে করুন। এতে সারা দিন শরীর ক্লান্ত হবে না এবং সুগার কমে যাওয়ার ভয় থাকবে না।

সঠিক খাবার : লাল চালের ভাত, লাল আটার রুটি বা ওটস খান। সঙ্গে মাছ, মাংস, ডাল এবং প্রচুর শাকসবজি রাখুন। সম্ভব হলে এক গ্লাস দুধ খেতে পারেন।

ইফতারে যা করবেন
শুরুটা হোক খেজুর দিয়ে : একটি খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করুন (কিডনি সমস্যা থাকলে খেজুর এড়িয়ে চলুন)।

ভাজাপোড়া বর্জন : বেগুনি বা চপ জাতীয় ভাজাপোড়া ও মিষ্টি খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো। এর বদলে চিড়া, মুড়ি, টক দই বা ডাবের পানি খেতে পারেন।

বেশি পানি পান : ইফতারের পর থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করুন যাতে শরীরে পানির অভাব না হয়।

ওষুধ ও চেকআপ
সুগার মাপা : রোজার সময় নিয়মিত মেশিনে রক্তে সুগারের মাত্রা পরীক্ষা করুন। মাত্রা খুব বেশি বা কম মনে হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিন।

ডাক্তারের পরামর্শ : রোজা শুরুর আগেই ইনসুলিন বা ওষুধের ডোজ এবং সময় সম্পর্কে আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিন। সাধারণত সকালের ওষুধ ইফতারে এবং রাতের ওষুধ সেহরিতে খেতে হয়।

শারীরিক পরিশ্রম
তারাবিহ নামাজ পড়লে আলাদা করে ব্যায়ামের প্রয়োজন হয় না। তবে রোজা রেখে খুব বেশি পরিশ্রমের কাজ করবেন না। রক্তে সুগারের মাত্রা অস্বাভাবিক কমে গেলে বা শরীর খুব বেশি খারাপ লাগলে দেরি না করে রোজা ভেঙে ফেলা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

ইফতারের পর ক্লান্তি দূর করবেন যেভাবে

জীবনযাপন ডেস্ক
ইফতারের পর ক্লান্তি দূর করবেন যেভাবে
সংগৃহীত ছবি

রমজানের কয়েক দিন যেতেই অনেকের সাধারণ অভিযোগ— সারা দিন ভালো থাকলেও ইফতারের পর শরীর ভীষণ ভারী হয়ে আসে, চোখে ঘুম নামে আর পেটে অস্বস্তি শুরু হয়। অনেকেই একে রোজার ক্লান্তি মনে করেন, কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, এর আসল কারণ আমাদের অন্ত্র বা গাট হেলথের ভারসাম্যহীনতা।

আমাদের পরিপাকতন্ত্রে কোটি কোটি উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে, যাদের বলা হয় গাট মাইক্রোবায়োটা। এরা শুধু খাবার হজমই করে না, শরীরের ৭০ শতাংশ রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও নিয়ন্ত্রণ করে। এই ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট হলেই পেট ফাঁপা, এসিডিটি বা ক্লান্তির মতো সমস্যা দেখা দেয়।

কেন ইফতারের পর শরীর খারাপ লাগে?
সারা দিন বিরতির পর ইফতারে যখন আমরা একসাথে অনেক ভাজাপোড়া, মিষ্টি বা ভারী খাবার খাই, তখন পাকস্থলী হঠাৎ চাপে পড়ে যায়। দ্রুত খাবার খাওয়ার ফলে অন্ত্রে খাবার স্বাভাবিকভাবে হজম না হয়ে গ্যাস ও প্রদাহ তৈরি করে। ফলে পেট শক্ত হয়ে যায় এবং শরীর নিস্তেজ লাগে। পেটের উপকারী ব্যাকটেরিয়া কমে গেলে শরীর খাবার থেকে শক্তি সংগ্রহ করতে পারে না। ফলে পেট ভরে খেয়েও আপনি দুর্বল বোধ করেন।

রোজা কি শরীরের ক্ষতি করে?
না, বরং রোজা অন্ত্রের জন্য একটি ক্লিনিং প্রসেস বা পরিষ্কার অভিযান। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকায় অন্ত্র বাড়তি ব্যাকটেরিয়া ও জমে থাকা খাদ্যকণা সরিয়ে নিজেকে সতেজ করার সুযোগ পায়। কিন্তু ভুল খাদ্যাভ্যাস এই সুযোগকে নষ্ট করে দেয়।

সুস্থ থাকার ৫টি সহজ উপায়
১। ধীরগতিতে শুরু : খেজুর ও পানি দিয়ে ইফতার শুরু করে কিছুক্ষণ বিরতি দিন। একবারে বেশি খাবেন না।
২। হালকা খাবার : শুরুতে স্যুপ বা ফলজাতীয় হালকা খাবার বেছে নিন। ভাজাপোড়া যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।
৩। প্রোবায়োটিক যুক্ত করুন : দই বা এ জাতীয় খাবার অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বাড়াতে সাহায্য করে।
৪। সাহরিতে সচেতনতা : সাহরিতে আঁশযুক্ত খাবার (শাকসবজি, লাল চাল) এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
৫। মনোযোগ দিয়ে চিবিয়ে খাওয়া : খাবার ভালো করে চিবিয়ে খেলে হজমের কষ্ট অর্ধেক কমে যায়।

রমজান শরীরকে নতুন করে গুছিয়ে নেওয়ার একটি সুযোগ। একটু সচেতন হয়ে অন্ত্রের যত্ন নিলে রোজা হবে ক্লান্তির বদলে প্রাণবন্ত ও স্বস্তিদায়ক।

আজ ২০ ফেব্রুয়ারি, দিনটি কেমন যাবে আপনার?

অনলাইন ডেস্ক
আজ ২০ ফেব্রুয়ারি, দিনটি কেমন যাবে আপনার?

জীবনের প্রতিটি দিন নতুন কিছু সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসে আর প্রতিটি দিন আমাদের একটু একটু করে শিখতে ও বিকশিত হতে সাহায্য করে। আজ ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দিনটি আপনার জন্য কেমন হতে পারে, কিভাবে সামলাবেন জীবন ও কাজের চ্যালেঞ্জগুলো, সেটি জানতে হলে পড়ুন আজকের রাশিফল।

মেষ [২১ মার্চ-২০ এপ্রিল]

আশ্রিত ও প্রতিপালিত ব্যক্তি থেকে সাবধান। আয় উপার্জনের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্যতা রক্ষা করা কঠিন হবে। ধারকর্জ ঋণের জালে আটকে পড়তে হবে। পরিবারের কোনো বয়স্কলোকের শরীরে স্বাস্থ্য খারাপ হবে। অত্যাবশ্যকীয় বিবাহে কোনো না কোনো বাধা আসতে পারে।

বৃষ [২১ এপ্রিল-২০ মে]

গৃহবাড়িতে নতুন আসবাবপত্র ও বস্ত্রালঙ্কারের পসরা সাজবে। ব্যবসায় মজুতমালের দাম বাড়বে। পাওনা টাকা আদায় হবে। নিত্যনতুন সুযোগ আসবে হাতের মুঠোয়। মন সংগীতের প্রতি ঝুঁকবে। লৌকিকতা পরিহার্য। আটকে থাকা কাজ সচল হবে।

মিথুন [২১ মে-২০ জুন]

নিত্যনতুন স্বপ্ন পূরণের জন্য দিনটি রেকর্ড হয়ে থাকবে। কর্ম অর্থ যশ খ্যাতি প্রতিষ্ঠা হাতের মুঠোয় আসবে। বিজয়ের বরমাল্য হাত বাড়িয়ে ধরবে। শিক্ষার্থীদের মনোবাসনা পূর্ণ হবে। শত্রু ও বিরোধীপক্ষের প্রায় সিংহভাগ কুপরিকল্পনা নস্যাৎ হবে।

কর্কট [২১ জুন-২০ জুলাই]

কর্ম ব্যবসায় লাগাতার উন্নতি করবেন। দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে। বাড়িতে নতুন আসবাবপত্রের পসরা সাজবে। প্রেমীযুগলের জন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে। সন্তানদের ক্যারিয়ার অধ্যয়ন স্বাস্থ্যবিষয়ক দুশ্চিন্তা ঘুচবে।

সিংহ [২১ জুলাই-২০ আগস্ট]

দুর্ঘটনা ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নিজেকে গুটিয়ে রাখুন। দাম্পত্য সুখশান্তি বজায় রাখতে জীবনসঙ্গীর মতকে গুরুত্ব দিন। দ্বিচক্রযান বর্জন করুন। মনোকষ্ট মনোবেদনা মনচঞ্চলতা বাড়বে। নেশা মদ জুয়া থেকে দূরে থাকুন। শিক্ষার্থীদের মন ফেসবুক, প্রেম প্রসঙ্গ ও অনুচিত কাজবাজের প্রতি ঝুঁঁকবে।

কন্যা [২১ আগস্ট-২২ সেপ্টেম্বর]

অংশীদারি ব্যবসার বহুল প্রচার ঘটবে। গৃহবাড়ি অতিথি সমাগমে মুখর হয়ে থাকবে। দাম্পত্য কলহবিবাদের মীমাংসা হবে। জীবনসঙ্গী ও শ্বশুরালয় থেকে ভরপুর সহযোগিতা পাবেন। ভাঙা প্রেম বন্ধুত্ব জোড়া লাগবে। পরিবারে ছোট্ট নতুন মুখের আগমন ঘটবে।

তুলা [২৩ সেপ্টেম্বর-২২ অক্টোবর]

আগুন বিদ্যুৎ দ্বিচক্রযান বর্জনীয়। না বুঝে চুক্তি সম্পাদন ও বিনিয়োগ ঘাতক প্রমাণিত হবে। শ্রমিক-কর্মচারীদের মাথায় হাত দিয়ে কার্যউদ্ধার করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মন ফেসবুক ইউটিউব প্রেম প্রসঙ্গের প্রতি আকৃষ্ট থাকবে।

বৃশ্চিক [২৩ অক্টোবর-২১ নভেম্বর]

কর্ম ব্যবসায় তরতাজা উন্নতি করবেন। আর্থিক দৈন্যদশা কাটবে। লাইফস্টাইল বদলাবে। হারানো পিতৃমাতৃ ধন সম্পদ ফিরে পাবেন। সন্তানরা আজ্ঞাবহ থাকবে। শিক্ষার্থীরা মনের মতো কলেজ ভার্সিটিতে ভর্তির সুযোগ পাবে। গৃহবাড়িতে নতুন আসবাবপত্র ও বস্ত্রালঙ্কার আসতে পারে।

ধনু [২২ নভেম্বর-২০ ডিসেম্বর]

জীবনসঙ্গী ও শ্বশুরালয় থেকে সহযোগিতা পাবেন। গৃহবাড়িতে মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান হওয়ায় সাজ সাজ রব করবে। শ্রমিক-কর্মচারীদের মনে মালিকপ্রীতি জাগ্রত হবে। মামলা মোকদ্দমা মীমাংসার দিকে ধাবিত হবে। কন্যাসন্তানরা অধিক প্রতিষ্ঠা পাবে।

মকর [২১ ডিসেম্বর-১৯ জানুয়ারি

লটারি জুয়া রেস শেয়ার হাউজি এড়িয়ে চলুন। কর্ম অর্থ মোক্ষ লাভের পথ খুলে দেবে। সন্তানদের ক্যারিয়ার অধ্যয়ন স্বাস্থ্যবিষয়ক দুশ্চিন্তা ঘুচবে। ভাইবোনদের কাছ থেকে প্রাপ্ত সহযোগিতা স্বপ্ন পূরণ করবে। মন ধর্ম ও সৃজনশীল কাজের প্রতি ঝুঁকবে।

কুম্ভ [২০ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি]

শূন্য পকেট পূর্ণ হবে। অন্ন বস্ত্র বাসস্থানের অভাব ঘুচবে। ধারকর্জ ঋণমুক্ত করবে। ব্যবসায় লাগাতার উন্নতি করবেন। গোটা পরিবারে সম্প্রীতির মেলবন্ধন রচিত হবে। ভাঙা বন্ধুত্ব পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা। দলিলপত্র হাতে আসবে।

মীন [১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ]

হাতে থাকা প্রতিটি কাজ সহজে সম্পন্ন হবে। নিঃসন্তান দম্পতির কোল আলোকিত হবে। শত্রু ও বিরোধীপক্ষ পরাস্ত হয়ে পড়বে। গৃহবাড়ি, যানবাহন ও বস্ত্রালঙ্কার ক্রয়ের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে। মনোবল জনবল অর্থবলের গ্রাফ চাঙা হবে।

অতিরিক্ত ফাইবার কি মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলতে পারে?