• ই-পেপার

আমরা নতুন বাংলাদেশের জন্য কাজ করছি : মির্জা ফখরুল

এনসিপির ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন’ পরিচালনা কমিটি গঠন, নেতৃত্বে যারা

অনলাইন ডেস্ক
এনসিপির ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন’ পরিচালনা কমিটি গঠন, নেতৃত্বে যারা
ফাইল ছবি

জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ সোমবার রাতে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এসিপির স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দলের মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) মো. সারজিস আলম, আর সদস্যসচিব হয়েছেন আব্দুল হান্নান মাসউদ, এমপি।

এই কমিটির সদস্য হয়েছেন, যথাক্রমে আরিফুল ইসলাম আদীব, আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, তাহসীন রিয়াজ, অ্যাড. মঞ্জিলা ঝুমা। 

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, সকল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জেলার নেতৃবৃন্দ এ কমিটিকে সার্বিক সহযোগিতা করবেন।
 

আরেকটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের ইঙ্গিত, নেতৃত্বে যিনি

অনলাইন ডেস্ক
আরেকটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের ইঙ্গিত, নেতৃত্বে যিনি
সংগৃহীত ছবি

ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ বা আপ বাংলাদেশ নামে একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গড়ে ওঠে চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের পর। তরুণদের এই প্ল্যাটফর্ম ঘিরে আশা দেখছিলেন অনেকে। প্ল্যাটফর্মের নেতারাও জানিয়েছিলেন এটি একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে যাত্রা শুরু করবে। কিন্তু মাত্র ৯ মাস না পেরোতে তাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ফাটল। রাজনৈতিক দল হিসেবে কার্যক্রম শুরু করা না করা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিরোধ।

দলটির একাধিক সূত্র বলছে, এ অবস্থায় শিগগিরই আপ বাংলাদেশ ভেঙে নতুন একটি রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ ঘটতে পারে। আর সেটি হলে এই প্ল্যাটফর্মের কেউ কেউ নতুন দলে না গিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপিতে যোগ দিতে পারেন।

জানা যায়, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি আপ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় রাজনৈতিক দল গঠনের প্রস্তুতি হিসেবে ফিজিবিলিটি টেস্ট বা সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে ১০ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয়। যার নেতৃত্বে রয়েছেন নাঈম আহমাদ। এ ছাড়া চূড়ান্ত করা হয় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা। এর মধ্যে রয়েছে– গণভোটের রায় কার্যকরে জনমত তৈরি, জুলাই গণহত্যার বিচার, দুর্নীতিবিরোধী গণ-আন্দোলন, পুলিশ সংস্কার ও মেয়াদ শেষ হওয়া সাপেক্ষে সব কমিটি বিলুপ্ত করা।

সূত্র জানায়, আপ বাংলাদেশ ভেঙে নতুন রাজনৈতিক দল গঠনে মরিয়া হয়ে উঠেছেন প্রধান সংগঠক নাঈম আহমাদ। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী মুহূর্তে এমন কিছু চান না জুনায়েদ, হিজবুল্লাহ, ইরা, রিফাতসহ ৮০ শতাংশেরও বেশি নেতাকর্মী। গুটিকয়েক লোক নিয়ে দল গঠন করতে চাইছেন নাঈম। এ জন্য সর্বশেষ সাধারণ সভায় নিজেদের ভেতরে ফিজিবিলিটি টেস্ট করতে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। যার প্রতিবেদন এখনো হাতে পৌঁছায়নি বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতাদের একজন।

জানা যায়, আপ বাংলাদেশের আহ্বায়ক জুনায়েদ, প্রধান সমন্বয়কারী রাফে সালমান রিফাত, মুখপাত্র শাহরিন ইরাসহ বেশ কয়েকজন নেতা জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিতে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে তাদের একাধিক বৈঠকের তথ্যও পাওয়া গেছে বলে ওই সূত্রের দাবি। এ নিয়ে জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করেও জুনায়েদকে পাওয়া যায়নি। 

প্ল্যাটফর্মের প্রধান নেতারা এনসিপিতে যাচ্ছেন–এমন গুঞ্জন নিয়ে কেন্দ্রীয় এক নেতা বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে এখনো নিশ্চিত নই। তেমন কথাবার্তাও হয়নি। সুযোগ থাকলে আমরা যেতে পারি। তবে আপ বাংলাদেশ ভেঙে নতুন দল ঘোষণা করা হলে আমাদের কিছু সদস্য এনসিপিতে চলে যেতে পারেন। অর্থাৎ সক্রিয়রা এই প্ল্যাটফর্মে আর থাকতে চাইবেন না। এ ছাড়া প্ল্যাটফর্মের নামে যেহেতু রাজনৈতিক দল আসছে না, সেহেতু এখানেই সবাই থাকবেন।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আপ বাংলাদেশের প্রধান সংগঠক নাঈম আহমাদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপ বাংলাদেশ প্ল্যাটফর্মে থাকতে চাই না, ব্যাপারটা তেমন না। রাজনৈতিক দল গঠনের আকাঙ্ক্ষা শুরু থেকেই ছিল। সেভাবেই আমাদের প্ল্যাটফর্মটি করা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দল গঠনের একটি সম্ভাব্য ডেডলাইন ছিল। নির্বাচনের পর হওয়া সাধারণ সভায়ও এ নিয়ে কথা হয়। একই সঙ্গে আমাকে প্রধান করে রাজনৈতিক দল গঠনের ফিজিবিলিটি অ্যানালাইসিস কমিটি দেওয়া হয়। এরই মধ্যে প্ল্যাটফর্মের অভ্যন্তরে কাজ শুরু করেছি। এখন পর্যন্ত প্রতিবেদন জমা না দিলেও ফিডব্যাক ভালো। আমরা ইতিবাচক কিছু দিতে পারব ইনশাআল্লাহ। আশা করি, শিগগিরই একটি রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ ঘটবে।’

নতুন দলের নাম নিয়ে তিনি বলেন, ‘কাছাকাছি কোনো একটি নামই থাকবে। হতে পারে ইউনাইটেড পিপলস পার্টি (ইউপিপি), যা এখন রয়েছে ইউপিবি। অর্থাৎ বাংলাদেশের স্থলে পার্টি হয়ে যেতে পারে। এমন আরো কিছু নামের প্রস্তাব আসছে। সব মিলিয়ে কাছাকাছি কোনো একটি নাম ব্যবহার করব ‘

নেতৃত্বের কাতারে কারা থাকবেন–জানতে চাইলে এ নেতা বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আপ বাংলাদেশের বর্তমান আহ্বায়ক জুনায়েদের থাকার সম্ভাবনা কম। অন্য কোনো নেতৃত্বই আসার সম্ভাবনা বেশি। কিন্তু বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। অর্গানোগ্রাম বা সাংগঠনিক কাঠামো এখনো সাজানো হয়নি। তাই এখনই বলা যাচ্ছে না কারা নেতৃত্বে আসছে। দু-এক দিনের মধ্যে আমরা প্রতিবেদন জমা দেব। যেহেতু প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে প্রক্রিয়াগত ব্যাপার রয়েছে, সেহেতু দল গঠনের আগ পর্যন্ত এই নেতৃত্বই আমাদের মানতে হবে। অতএব তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই আমরা একটা তারিখ নির্ধারণ করব। আশা করছি, এ সপ্তাহ বা আগামী মাসের শুরুর দিকে ঘোষণা আসবে।’

ববি হাজ্জাজের বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

অনলাইন ডেস্ক
ববি হাজ্জাজের বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির ও ঢাকা-১৩ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হবে বলে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের দেওয়া বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দলটি। দলটি বলছে, ঢাকা-১৩ আসনের ফলাফল-ডাকাতি ও ববি হাজ্জাজের অব্যাহত মিথ্যাচার অচিরেই সরকার পতনের কারণ হতে পারে।

রবিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ।

এর আগে রবিবার সকালে নির্বাচনের দিন সন্ত্রাসী হামলায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন থাকা বিএনপির কয়েকজন নেতা-কর্মীকে দেখতে ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে যান ববি হাজ্জাজ। সেখানেই তিনি নির্বাচনে কেন্দ্র দখল ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে মামুনুল হককে নিয়ে ওই মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের বিবৃতিতে মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ববি হাজ্জাজের বক্তব্যকে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করা হয়। একই সঙ্গে হত্যাচেষ্টা মামলার হুমকির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে উল্লেখ করে বলা হয়, এই বক্তব্য কেবল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ নয়, বরং এটি একটি গভীর ও সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের অংশ। জনগণের স্পষ্ট রায়কে আড়াল করতেই এসব অপপ্রচার ও মামলা-হুমকির আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে।

বিবৃতিতে জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, ঢাকা-১৩ আসনে মামুনুলের রিকশা প্রতীকের বিপুল জনসমর্থন দৃশ্যমান হওয়ার পর থেকেই একটি প্রভাবশালী চক্র ফলাফল বিকৃতির নীলনকশা বাস্তবায়ন করে। অসংখ্য বৈধ ভোট অবৈধ ঘোষণা, ফলাফল শিটে টেম্পারিং ও ওভাররাইটিং এবং চূড়ান্ত ফলাফল পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রকাশ্য ‘রেজাল্ট ডাকাতি’ সংঘটিত হয়েছে। একাধিক টেলিভিশন চ্যানেলে প্রায় ২০ মিনিট ধরে মাওলানা মামুনুল হককে বিজয়ী ঘোষণা করার পর হঠাৎ সংশোধিত ফলাফল প্রচার জনমনে গভীর সন্দেহ সৃষ্টি করেছে। নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দাখিল ও ফলাফল স্থগিতের অনুরোধ সত্ত্বেও তড়িঘড়ি করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বলেছে, অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে মামুনুল হককে দমনে মিথ্যা মামলা, হয়রানি ও চরিত্রহননের কৌশল গ্রহণ করা হয়েছিল। আজ একই ধারার পুনরাবৃত্তির চেষ্টা দৃশ্যমান। ফ্যাসিবাদের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত শেখ হাসিনার পরিবারের সঙ্গে ববি হাজ্জাজের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক সব সময়ই জনমনে প্রশ্নের উদ্রেক করেছে।

সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় কক্সবাজারের অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না

তোফায়েল আহমদ, কক্সবাজার
সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় কক্সবাজারের অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না
অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না

দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের রাজনীতিতে সংরক্ষিত নারী আসন ঘিরে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে কক্সবাজারের একটি নাম—অ্যাডভোকেট শামীম আরা বেগম স্বপ্না। জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের ৫০টির মধ্যে সম্ভাব্য ৩৫টি আসন পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

এ প্রেক্ষাপটে কক্সবাজার ও বান্দরবান অঞ্চল থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তার নামই সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও আইন পেশায় সাফল্যের কারণে কেন্দ্র ও তৃণমূল—উভয় পর্যায়েই তিনি গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব হিসেবে বিবেচিত।

অ্যাডভোকেট শামীম আরা বেগম স্বপ্না জানান, তিনি রাজনীতি শুরু করেন ১৯৮২ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে। ছাত্ররাজনীতি থেকে মূলধারার রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে ধাপে ধাপে নেতৃত্বের অবস্থানে উঠে আসেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৮৪ সালে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিষয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করার পর তিনি আইনশাস্ত্রে অধ্যয়ন করেন। ১৯৮৬ সালে কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আইন পেশায় যোগ দেন। পরবর্তীতে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে কক্সবাজার জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

ওয়ান-ইলেভেন-পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ে অনুষ্ঠিত জেলা বিএনপির সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। দলের কঠিন সময়ে সাংগঠনিক পুনর্গঠন, নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং তৃণমূলকে সক্রিয় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তার নেতৃত্বে জেলা বিএনপি একটি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত কাঠামো লাভ করে। সর্বশেষ গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে কক্সবাজারের চারটি আসনেই বিএনপির বিজয়কে অনেকে তার সাংগঠনিক সক্ষমতার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন।

পেশাগত জীবনেও তিনি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ২০০১ সালে দেশের প্রথম নারী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আইন অঙ্গনে স্বীকৃতি অর্জন করেন। দীর্ঘ চার দশকের আইন পেশায় অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ মামলা পরিচালনা করেছেন। ওয়ান-ইলেভেন সময়কালে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসন থেকে নির্বাচিত বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ৯টি মামলার দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি।

তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিগত ১৭ বছরের রাজনৈতিক প্রতিকূল সময়ে নির্যাতিত নেতাকর্মীদের পক্ষে বিনা পারিশ্রমিকে মামলা পরিচালনা, আইনি সহায়তা প্রদান এবং কারাবন্দিদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছি। একই সঙ্গে রাজনৈতিক মামলায় আমিও একাধিকবার জড়িয়েছি, তবুও অবস্থান থেকে সরে যাইনি। রাজনীতিতে আমি কারও প্রতিপক্ষ নই এবং আমার সঙ্গে কারও প্রতিদ্বন্দ্বিতাও নেই।’

এদিকে কক্সবাজার ও বান্দরবান থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে তাকে মনোনয়নের দাবিও জোরালো হচ্ছে। এ বিষয়ে কক্সবাজার সিটি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এস. এম. আকতার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনে তিনি সংগ্রামী ও পরীক্ষিত নেতৃত্ব দেখতে চান। তার মতে, অ্যাডভোকেট শামীম আরা বেগম স্বপ্না দীর্ঘ রাজনৈতিক ও আইন পেশার অভিজ্ঞতায় এ আসনের জন্য সবচেয়ে যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য।

কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সৈয়দ আলম বলেন, ‘কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শামীম আরা বেগম স্বপ্না দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পক্ষে আইনি লড়াইয়ে অটল ছিলেন। তিনি বিএনপির মতো একটি রাজনৈতিক দলের পরীক্ষিত নেতা—তাই তার বিকল্প দেখছি না।’

কক্সবাজার রেড ক্রিসেন্ট জেলা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহিম জানান, ‘জেলা বিএনপির দীর্ঘকালীন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীম আরা বেগম স্বপ্না স্থানীয় রাজনীতি ও আইনাঙ্গনে নিপীড়িত মানুষের পরম বন্ধু হিসেবে পরিচিত। তাই তার ত্যাগ, অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও পেশাগত সাফল্যের বিবেচনায় সংরক্ষিত নারী আসনে তার নাম এখন জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে।’