• ই-পেপার

শুভ জন্মদিন

পাঠক

পাঠক

আপনার লেখা এমনকি ছবিও ছাপা হতে পারে রঙের মেলায়। বিনোদনজগতের সাম্প্রতিক যে ঘটনাটি আপনার মনে দাগ কেটেছে, সে বিষয়ে মূল্যবান মতামত দিন। লিখতে পারেন প্রিয় তারকাকে নিয়েও। কোনো চলচ্চিত্র, সংগীত, টিভিনাটক বা মঞ্চনাটকের গঠনমূলক সমালোচনা করতে পারেন। সুলিখিত হলে অবশ্যই তা ছাপা হবে।

প্রিয় তারকার সঙ্গে ছবি তোলা বা তাঁর অটোগ্রাফ নেওয়া অনেকের শখ। আপনার সংগ্রহে যদি সে রকম কোনো ছবি বা অটোগ্রাফ থাকে সেই ছবি ও অটোগ্রাফের সঙ্গে নেপথ্যের গল্প লিখে পাঠাতে পারেন আমাদের কাছে।

 

লেখা ও ছবি পাঠানোর নিয়ম

   পৃষ্ঠার এক পাশে লিখুন  

   লিখতে হবে ৩০০ শব্দের মধ্যে

   অটোগ্রাফ বা ছবির অনুলিপি পাঠাতে হবে

   ছবি ও অটোগ্রাফ সংগ্রহের স্থান, সময় উল্লেখ করতে ভুলবেন না

   লেখার নিচে আপনার ই-মেইলসহ [থাকলে] পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা লিখুন

   ই-মেইলে লেখা পাঠানোর ঠিকানা : rongermela@kalerkantho.com

   ডাকে পাঠানোর ঠিকানা :

    রঙের মেলা, কালের কণ্ঠ
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২২৯

পাঠকের চোখে

প্রতিশোধপরায়ণ হবেন না প্লিজ

প্রতিশোধপরায়ণ হবেন না প্লিজ

ক্ষমতাবদলের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের শোবিজেও এক ধরনের রাজনৈতিক মেরুকরণ চোখে পড়ে। অতীতে ক্ষমতাসীন দলের সাংস্কৃতিক কর্মীদের দাপট দেখা গেছে শোবিজের সর্বত্র। অলিখিতভাবে তৈরি হয় লেখক-শিল্পী-কলাকুশলীদের কালো তালিকা। অতীতের প্রায় সব সরকারের আমলেই এমনটা দেখা গেছে। রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেল বিটিভিতে সুযোগ পান না অন্য দলীয় মতাদর্শের শিল্পীরা। এমনকি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও এড়িয়ে চলে বিরোধী মতাদর্শে বিশ্বাসী শিল্পীদের।

জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে এ সপ্তাহেই সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এই দলে আছেন বেশ কয়েকজন জনপ্রিয় শিল্পী। বেবী নাজনীন, কনকচাঁপা, মনির খান, আসিফ আকবর, নাজমুন মুনিরা ন্যানিসর মতো জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পীরা আগের সরকারের আমলে বারবার বঞ্চিত হয়েছেন। সরকারিভাবে যেমন অসম্মানিত হয়েছেন, তৎকালীন সরকারদলীয় মতাদর্শে বিশ্বাসী সহশিল্পীরাও তাঁদের প্রাপ্য অধিকার আদায়ে সহযোগিতা করেননি। জাতীয়তাবাদী মতাদর্শের শিল্পীদের প্রতি অনুরোধ, আপনারা প্রতিশোধপরায়ণ হবেন না প্লিজ। এই বাজে সিস্টেম ও দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো জরুরি। আপনারা এমনভাবে উদাহরণ তৈরি করুন, যেন ভবিষ্যতের বাংলাদেশ এই অশুভ সিস্টেম থেকে মুক্তি পায়।

রাজনৈতিক মতাদর্শ যাঁর যা-ই থাকুক, শিল্পীদের তাঁর প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করা অনুচিত। কোনো মানুষই রাজনীতির বাইরে নয়, শিল্পীরা ব্যতিক্রম হবেন কেন? থাকুক তাঁদের রাজনৈতিক মতভেদ। সাধারণ মানুষ কোনটা গ্রহণ করবে, কোনটা গ্রহণ করবে নাসেটা তাদের ওপরই ছেড়ে দেওয়া উচিত। কিছুদিন আগে এক সাক্ষাৎকারে বেবী নাজনীন এই বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানিয়েছেন। শুনে খুবই ভালো লেগেছে, তিনি চান সব শিল্পী কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবেন।

উদাহরণ তৈরিতে কাউকে না কাউকে এগিয়ে আসতেই হয়। এই সরকারের কাছে আবদার, আপনারা শোবিজ-ক্রীড়াসহ সর্বক্ষেত্রে দলীয়করণের বিপক্ষে অবস্থান নিন; যার সুফল পাবে বাংলাদেশ।

 

ইমতিয়াজ আহমেদ, কলাবাগান, ঢাকা

স্টার অব দ্য উইক : মাহফুজ আনাম জেমস

স্টার অব দ্য উইক : মাহফুজ আনাম জেমস

জাতীয় নির্বাচনে শোবিজের অনেকেই ভোট দিয়েছেন, তবে ‘নগর বাউল’ জেমসের ভোট দেওয়ার ছবি নিয়ে একটু বেশিই আলোচনায় মেতেছে নেটিজেনরা। নতুন সরকার শপথ নেওয়ার রাতে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে ‘বাংলাদেশ’ গেয়েও আলোচনায় এসেছেন তিনি। ‘তুমি ধানের শীষে মিশে থাকা শহীদ জিয়ার স্বপন’, গানের কথায় এ লাইন থাকায় বহুদিন তিনি স্টেজে গাইতে পারেননি গানটি।

শুটিংয়ে প্রথম দিন

আমার চেহারাটা নাকি অনেক গোছানো

এ সময়ের উদীয়মান অভিনেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। ‘মিস ওয়ার্ল্ড—বাংলাদেশ ২০১৮’ বিজয়ী এই অভিনেত্রী একেবারে প্রথম যেদিন ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন, নিশ্চয়ই এখনকার মতো সাবলীল ছিলেন না। কেমন ছিল প্রথম দিন ক্যামেরার সামনে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা, জানিয়েছেন অভিনেত্রী নিজেই

আমার চেহারাটা নাকি অনেক গোছানো

মিস ওয়ার্ল্ড বিজয়ী হওয়ার পর ক্যামেরার সামনে প্রথম দাঁড়াই গ্রামীণফোনের একটি বিজ্ঞাপনচিত্রের শুটিংয়ে। রানআউট ফিল্মস থেকে একজন সহকারী পরিচালক আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। গল্প শুনেই ভালো লাগে। রাসেল মাহমুদ ভাইয়ের পাণ্ডুলিপিতে মা-মেয়ের আবেগঘন মুহূর্ত নিয়ে গল্পটা। নিজের বাস্তব জীবনের ছায়াও দেখতে পাই গল্পে। তা ছাড়া এটি নির্মাণ করবেন আদনান আল রাজীব ভাই, উনি একজন পরীক্ষিত নির্মাতাসব মিলিয়ে ভরসাযোগ্য মনে হয়। তারপর রানআউট ফিল্মসের অফিসে গিয়ে রিহার্সাল করি।

আমার চেহারাটা নাকি অনেক গোছানোএরপর শুটিং, একদিন খুব ভোরে শুটিংয়ের ডাক পড়ে। ফজরের নামাজ পড়ে শুটিংয়ের উদ্দেশ্যে বের হই, শুটিংয়ের গাড়ি এসে আমাকে নিয়ে যায় তেজগাঁওয়ে। গিয়েই মেকআপ করতে বসি। সেখানেই প্রথম দেখা রাজীব ভাইয়ার সঙ্গে। তবে তিনি আমার মেকআপ নিয়ে সন্তুষ্ট হতে পারছিলেন না। বারবার বলছিলেন, আমার চেহারায় যে অগোছালো ছাপ থাকার কথা, সেটা নেই। মেকআপম্যান লিখন ভাই বেশ চেষ্টা করেছিলেন, যদিও রাজীব ভাইয়ের মনমতো হয়নি। পরে তিনিই বলেন, আমার চেহারাটা নাকি অনেক গোছানো, তাই এমন হচ্ছে। দৌড়ে গিয়ে বাসে উঠতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হবপ্রথম এই দৃশ্য ধারণ করা হবে। যত দূর মনে পড়ে, প্রথম টেকেই দৃশ্যটা চূড়ান্ত হয়। ক্যামেরায় ছিলেন কামরুল হাসান খসরু ভাই। বিজ্ঞাপনে আমার সহশিল্পী সেভাবে কেউ ছিলেন না। ফোনের অন্য প্রান্তে আমার মায়ের চরিত্রে যিনি অভিনয় করেছিলেন, তাঁর সঙ্গে আমার দেখাই হয়নি। শুটিং টিম খুব গোছানো ছিল, যে কারণে কাজ করতে খুব সুবিধা হয়েছিল। 

মনে আছে, বিজ্ঞাপনটা প্রচারিত হয় ফেব্রুয়ারিতে। প্রথম প্রচারের পর মা-বাবাসহ আশপাশের সবাই খুব প্রশংসা করেছিল। আর নিজেকে প্রথম পর্দায় দেখার অনুভূতি কখনো প্রকাশ করা যায় না, আমিও পারব না। পারিশ্রমিক নিয়ে তখন ভাবিনি, যা পেয়েছিলাম তা-ই সই।

 

অনুলিখন : হৃদয় সাহা