আয়াতের অর্থ
‘এবং শিঙায় ফুৎকার দেওয়া হবে, ফলে যাদেরকে আল্লাহ ইচ্ছা করেন তারা ছাড়া আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সবাই মূর্ছিত হয়ে পড়বে। অতঃপর আবার শিঙায় ফুৎকার দেওয়া হবে, তৎক্ষণাৎ তারা দাঁড়িয়ে তাকিয়ে থাকবে। বিশ্ব তার প্রতিপালকের জ্যোতিতে উদ্ভাসিত হবে, আমলনামা পেশ করা হবে এবং নবীদের ও সাক্ষীদের উপস্থিত করা হবে। সবার মধ্যে ন্যায়বিচার করা হবে এবং তাদের প্রতি জুলুম করা হবে না। প্রত্যেকের কৃতকর্মের পূর্ণ প্রতিফল দেওয়া হবে।...’ (সুরা : ঝুমার, আয়াত : ৬৮-৭০)
আয়াতগুলোতে কিয়ামত দিবসের কর্মকাণ্ড বর্ণিত হয়েছে।
শিক্ষা ও বিধান
১. ইসরাফিল (আ.) শিঙায় প্রথম ফুৎকার দেওয়ার পর সব জীব মারা যাবে। সবার শেষে মারা যাবে মৃত্যুর ফেরেশতা।
২. কিয়ামতের ভয়াবহতার সময় মুসা (আ.) জ্ঞান হারাবেন না। কেননা দুনিয়াতে তিনি আল্লাহর নুর দেখে জ্ঞান হারিয়েছিলেন।
৩. দ্বিতীয় ফুৎকারের পর সব প্রাণীর ছিন্নভিন্ন দেহ মিলিত হবে, তারা উঠে দাঁড়াবে এবং বিচারের জন্য অপেক্ষা করবে।
৪. আল্লাহর জ্যোতিতে যখন কিয়ামত দিবস উদ্ভাসিত হবে তখন মানুষ চন্দ্র-সূর্যের মতো নির্দিষ্ট আলোর উৎস ছাড়াই সবকিছু আলোকিত দেখবে।
৫. পৃথিবীর সব ব্যবস্থা আল্লাহ উপায়-উপকরণনির্ভর করেছেন, কিন্তু পরকালের সব ব্যবস্থা হবে আল্লাহর আদেশনির্ভর। তখন উপায়-উপকরণের প্রয়োজন হবে না। (তাফসিরে শারভি, পৃষ্ঠা-১৩২৩৮)


