যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ তুষারঝড়ের কবলে পড়েছে। নিউইয়র্কে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। নিউইয়র্ক সিটি কর্তৃপক্ষ সোমবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা পর্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সব ধরনের চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। গত ৯ বছরের মধ্যে এই প্রথম নিউইয়র্ক সিটিতে এমন ‘ব্লিজার্ড ওয়ার্নিং’ বা তুষারঝড়ের সতর্কতা দেওয়া হলো। যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে পাঁচ হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। উত্তর ক্যারোলাইনা থেকে শুরু করে উত্তর মেইন পর্যন্ত এবং পূর্ব কানাডার কিছু অংশেও ‘উইন্টার স্টর্ম ওয়ার্নিং’ বা শীতকালীন ঝড়ের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সূত্র : বিবিসি
ট্রাম্পের রিসোর্টে ঢোকার চেষ্টা, গুলিতে নিহত ১
সংক্ষিপ্ত
তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র নিউইয়র্কে জরুরি অবস্থা জারি

নয়াদিল্লির অঙ্গীকার
৩১ মার্চের পর নকশাল আন্দোলন থাকবে না

ভারতে দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী গেরিলাদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র ও রক্তক্ষয়ী অভিযান চালাচ্ছে প্রশাসন। নয়াদিল্লির দাবি, এই অভিযান প্রায় ‘শেষ পর্যায়ে’। সম্প্রতি এক জ্যেষ্ঠ মাওবাদী গেরিলা কমান্ডার আত্মসমর্পণ করেছেন। ওই ঘটনাকে ঘিরেই ভারত সরকার আগাম বিজয়বার্তা প্রচার করছে। গতকাল সোমবার এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
১৯৬৭ সালে হিমালয়ের পাদদেশে পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং জেলার নকশালবাড়ি গ্রামে চীনের কমিউনিস্ট নেতা মাও জেদংয়ের মতাদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে একদল বিপ্লবী সমাজ পরিবর্তনের দাবি নিয়ে আন্দোলন শুরু করেছিলেন। ওই আন্দোলনকে ‘দেশদ্রোহিতার’ তকমা দিয়ে এর বিরুদ্ধে সশস্ত্র অভিযান শুরু করে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। এরপর বেশ কয়েকবার ক্ষমতার পটপরিবর্তন হলেও ‘নকশালপন্থীদের’ প্রতি মনোভাব বদলায়নি নয়াদিল্লির।
সম্প্রতি ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশে নকশালপন্থীদের বিরুদ্ধে ‘সর্বাত্মক’ অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী। আগামী মার্চের মধ্যেই এই আন্দোলনকে সমূলে উৎপাটন করার উদ্দেশ্য নিয়ে এগোচ্ছে সেনারা। দীর্ঘদিন ধরে মধ্য-ভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যে মাওবাদীদের সশস্ত্র কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রেখে এসেছেন থিপ্পিরি তিরুপতি। সূত্র : এএফপি
তীব্র তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র

শুল্ক বাড়লে মানব না
মার্কিন কোর্টের রায়ের পর কড়া বার্তা ইইউয়ের

মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক বাতিল করে দেওয়ার পর ইউরোপিয়ান কমিশন গত বছর স্বাক্ষরিত বাণিজ্যচুক্তির সব শর্ত অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে।
শুক্রবার মার্কিন সর্বোচ্চ আদালত ১৯৭৭ সালের ‘ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্টে’ আরোপ করা শুল্ককে ‘প্রেসিডেন্টের এখতিয়ারবহির্ভূত’ আখ্যা দিয়ে বাতিল করে দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ট্রাম্প অন্য আইনে সব আমদানি পণ্যে অস্থায়ীভাবে নতুন ১০% শুল্ক বসান, এক দিন পরই তা বেড়ে হয় ১৫%।
ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ২৭টি সদস্য দেশের হয়ে বাণিজ্যনীতি সামলানো কমিশন রবিবার বলেছে, আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ওয়াশিংটন কী কী পদক্ষেপ নিচ্ছে তা ‘স্পষ্টভাবে’ জানাতে হবে। এখনকার পরিস্থিতি গত বছরের বাণিজ্যচুক্তির শর্তসমূহ হাজির করা যৌথ বিবৃতিতে উভয় পক্ষ যে ‘ন্যায্য, সুষম ও পারস্পরিক লাভজনক’ ট্রান্স-আটলান্টিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ব্যাপারে সম্মত হয়েছিল, তা বাস্তবায়নে অনুকূল নয়। কিন্তু চুক্তি তো চুক্তিই।’
কমিশনের এবারের বার্তা শুক্রবারের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ার তুলনায় বেশ কড়া। সেদিন রায়ের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) এ নির্বাহী বিভাগ বলেছিল, তারা সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের ফলাফল খতিয়ে দেখছে এবং মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। সূত্র : রয়টার্স
